আজকের ছাড় এই বইয়ে — অফার শেষ হতে বাকি০০:০০:০০

পছন্দের তালিকায় রাখুন
অপ্রকাশিত : কামরুল হাসান
লেখক: প্রদীপ দত্ত || Pradip Dutta
প্রকাশনী: Yuktakshar Prakashani || যুক্তাক্ষর প্রকাশনী
নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।
৳৩,৫০০৳৪,০০০-১৩%
সাশ্রয় ৳৫০০
সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ
ফ্রি ডেলিভারি
একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি
১০০% আসল বই
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৩ দিনে রিটার্ন
ভারত থেকে আনা
প্রচ্ছদ : প্রদীপ দত্ত
কিংবদন্তি পটুয়া শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে কলকাতায় বসে অসংখ্য রেখাচিত্র আঁকেন। অবশেষে বিস্মৃতির আস্তরণ সরিয়ে সেই সব ছবি পাঠক এবং শিল্পপ্রেমীদের কাছে নিয়ে এসেছেন প্রদীপ দত্ত ত...
এক নজরে
এই বইয়ে যা পাবেন
Bengali
ভাষা
New
অবস্থা
India
উৎস
বিবরণ
বইটি সম্পর্কে
প্রচ্ছদ : প্রদীপ দত্ত
কিংবদন্তি পটুয়া শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে কলকাতায় বসে অসংখ্য রেখাচিত্র আঁকেন। অবশেষে বিস্মৃতির আস্তরণ সরিয়ে সেই সব ছবি পাঠক এবং শিল্পপ্রেমীদের কাছে নিয়ে এসেছেন প্রদীপ দত্ত তাঁর 'অপ্রকাশিত কামরুল হাসান' বইটিতে।
----------------
"ছবি কেন আঁকি এ প্রশ্নের জবাব দেওয়া যায় না। শুধু এইটুকু বলতে পারি, আন্তরিকভাবে যা অনুভব করি, আমি নিজে তার প্রকাশ করি ছবির মধ্য দিয়ে।"
ওপরের কথাগুলো অনন্যসাধারণ বাঙালি চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের। হ্যাঁ তিনি নিজেকে বাংলাদেশী না বলে বাঙালি বলতেই পছন্দ করতেন আর চিত্রশিল্পী না বলে তিনি নিজেকে বলতেন 'পটুয়া'। এই বাংলায় জীবনের এত বছর কাটালেও আমাদের দুর্ভাগ্য এপার বাংলায় আমাদের অনেকের কাছেই ওঁর নামটিই অজানা। কামরুল হাসানের জন্ম এই কলকাতা শহরেই। তাঁর পৈতৃক নিবাস বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে। শিক্ষা গ্রহণ কলকাতায়। গভর্নমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে চারুকলা বিভাগে ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ছাত্রজীবনে চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি তিনি বয়েজ স্কাউট, শরীরচর্চা, ব্রতচারী ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। দেশভাগ তাঁকে নিয়ে যায় বাংলাদেশে। ১৯৪৮ সালে সপরিবার চলে যান ঢাকায়। সেখানেই পরবর্তী জীবনের অসাধারণ সব কাজ সম্পন্ন করেন। কামরুল হাসানের জীবন ও ছবি নিয়ে যুক্তাক্ষর প্রকাশনী আমাদের উপহার দিয়েছে একটি অসাধারণ বই। খালেদ গবেষক শিল্পপ্রেমী প্রদীপ দত্তের "অপ্রকাশিত কামরুল হাসান"। রাজনীতি সচেতন প্রগতিশীল সমাজ সচেতন শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১সালে বাংলাদেশের যুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর হাত থেকে প্রাণ বাঁচাতে কলকাতায় এসে বন্ধু খালেদ চৌধুরীর নর্থ রেঞ্জের বাড়িতে ছিলেন। কলকাতায় থাকাকালীন কামরুল অসংখ্য আঁচড় কেটেছেন কালি ও কলমে, যার বেশ কিছু ছিল বন্ধু খালেদ চৌধুরীর কাছে। লেখকের কথায়,
"২০০৯ সালের এক সন্ধ্যাবেলায়, গড়িয়াহাটের ১/৩ ফার্ন রোডের বাড়িতে খাবার টেবিলে বসে অমিতাদির সঙ্গে গল্প করছি, খালেদদা একটা প্যাকেট বার করলেন, তার ভেতর থেকে বেরিয়ে এল একগুচ্ছ কাগজ। অমিতা চক্রবর্তীর নামাঙ্কিত লেখার প্যাডের ছেঁড়া কটা পাতা আর গোটা চারেক ফুলস্কেপ খাতা। হাতে দিয়ে বললেন, 'এগুলো দেখ...।'
পাতার পর পাতা ওল্টাচ্ছি আর কানে ঢুকছে খালেদদার কণ্ঠস্বর, " বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কামরুল ঢাকা থেকে কোনরকমে পালিয়ে আসে, আমি তখন পার্কসার্কাসে থাকতাম, ২/১ নর্থ রেঞ্জের বাড়িতে আমার সাথেই ও থাকত। সেই সময় প্রায় রোজ সন্ধ্যার পর অমিতার এই বাড়িতে চলে আসতাম দুজনে। রাত্রে এখানেই খেয়ে নিয়ে বাড়ি ফিরতাম। ঐ সময়ে স্কেচগুলো করেছিল।"
খালেদ সেই ছবিগুলো দেন ওঁর স্নেহধন্য প্রদীপ দত্তকে। এই ছবিগুলি বহু যত্ন করে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন খালেদ গবেষক প্রদীপ দত্ত। সেই অপ্রকাশিত ছবি ও কামরুলের জীবনের নানা কথা নিয়েই আলোচ্য বইটি। অসাধারণ সব ছবি দেখতে দেখতে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়। কোন একরকম ধারার ছবিতে কামরুল নিজেকে আবদ্ধ রাখেননি। তিনি নিজেই একটা ঘরানা তৈরি করেছেন। পাশ্চাত্য শিল্পরীতি যেমন শিখেছেন তেমনি বাংলার লোকশিল্পকে আত্মস্থ করেছেন। খালেদ চৌধুরী লিখেছেন,
" ... লোকশিল্পের বিভিন্ন শৈলীকে নানাভাবে ভেঙেচুরে সে নিজস্ব একটা রীতি তৈরি করেছে, আধুনিক মনের সঙ্গে ঐতিহ্যের সমন্বয় ঘটিয়েছে । এখানেই সে নিজের মাটিতে প্রোথিত, প্রকৃত অর্থে বাঙালি শিল্পী। ... লোকচিত্র প্রভাবিত এবং স্বপ্রবর্তিত রেখার ওপর দৃঢ় দখল থাকার দরুণ তার ছবি এমন অনায়াসলব্ধ স্বচ্ছন্দ এবং বলিষ্ঠ। বাঙলার জলমাটি, গাছপালা, পশুপাখি থেকে শুরু করে মানব জীবনের সার্বিক রূপ তার ছবিতে অতি বিশ্বস্ততায় প্রতিফলিত। শুধু এই কারণেই আবার বলছি কামরুল একান্তভাবেই বাঙালি শিল্পী।"
তাই আদ্যন্ত বাঙালি বাংলা সংস্কৃতির ধারক পটুয়া শিল্পী কামরুলই বলতে পারেন, " আমি বাংলায় কথা বলি, আমি বাংলায় ছবি আঁকি। আমি বিদেশী ভাষা জানি না, আমি বিদেশী ভাষায় ছবি আঁকতে জানি না"।
প্রতিনিয়ত নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলাই ছিল তাঁর শিল্পচর্চার বৈশিষ্ট। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের শিল্পাদর্শ ও শিল্পরীতির এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল তাঁর চিত্রশিল্পে।
শুধু ছবি এঁকেই ক্ষান্ত ছিলেন না কামরুল, তিনি ছিলেন রাজনৈতিকভাবে সচেতন একজন মানুষ।একজন সমাজ সচেতন শিল্পী হিসাবে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে, সংগঠন গড়ে তোলায়ও অংশ নিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে শাহরিয়ার কবির তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, "কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় এলে তো আপনার বহু শিল্পকর্ম বাতিল করে দেবে ।" এর উত্তরে কামরুল বলেন, " যে সমাজ ব্যবস্থায় দেশের মানুষ না খেয়ে থাকবে না, পরবার মতো কাপড় পাবে, থাকার মতো ঘর পাবে, শিক্ষা, চিকিৎসা পাবে সেই সমাজের জন্য যত বড় ত্যাগ স্বীকার করতে হোক না কেন আমি রাজী আছি। আমি জানি আমার বহু ছবিতে একান্তভাবে আমার আবেগ-অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। সমাজের প্রয়োজনে, মানুষের প্রয়োজনে সেসব বাতিল হলে আমার কোন দুঃখ থাকবে না। সেই সমাজে ছবিও হবে অন্য
| নাম | অপ্রকাশিত : কামরুল হাসান |
|---|---|
| লেখক | প্রদীপ দত্ত |
| প্রকাশনী | Yuktakshar Prakashani || যুক্তাক্ষর প্রকাশনী |
| ভাষা | Bengali |
| অবস্থা | New |
| মুদ্রণ দেশ | India |
লেখক পরিচিতি
প্রদীপ দত্ত
প্রদীপ দত্ত-এর আরও বই ঘুরে দেখুন। এই লেখকের লেখা পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।
প্রদীপ দত্ত-এর সব বইপ্রকাশনী সম্পর্কে
Yuktakshar Prakashani || যুক্তাক্ষর প্রকাশনী
Yuktakshar Prakashani || যুক্তাক্ষর প্রকাশনী প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।
Yuktakshar Prakashani || যুক্তাক্ষর প্রকাশনী-এর সব বই