আজকের ছাড় এই বইয়ে — অফার শেষ হতে বাকি০০:০০:০০
বিস্কুট : বিবর্তন বিশ্বায়ন বাণিজ্য
লেখক: মহীন গুপ্ত || Mahin Gupta
প্রকাশনী: Boideshik
নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।
৳৭০০৳৮০০-১৩%
সাশ্রয় ৳১০০
সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ
ফ্রি ডেলিভারি
একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি
১০০% আসল বই
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৩ দিনে রিটার্ন
ভারত থেকে আনা
প্রচ্ছদ - স্বর্ণেন্দু ঘোষ
বিস্কুটের সঙ্গে আত্মারও সম্পর্ক আছে। এটাও সংস্কৃতির এক অঙ্গ। একদা কেউ মারা গেলে অতিথিদের হাতে তুলে দেওয়া হত একটি বিশেষ বিস্কুট। আজকের দিনে ব্যাপারটা শুনতে কিছুটা অদ্ভুত লাগলে...
বইয়ের ভেতরে এক ঝলক

এক নজরে
এই বইয়ে যা পাবেন
Bengali
ভাষা
New
অবস্থা
India
উৎস
বিবরণ
বইটি সম্পর্কে
প্রচ্ছদ - স্বর্ণেন্দু ঘোষ
বিস্কুটের সঙ্গে আত্মারও সম্পর্ক আছে। এটাও সংস্কৃতির এক অঙ্গ। একদা কেউ মারা গেলে অতিথিদের হাতে তুলে দেওয়া হত একটি বিশেষ বিস্কুট। আজকের দিনে ব্যাপারটা শুনতে কিছুটা অদ্ভুত লাগলেও, একসময় ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েল্ল্স আর উত্তর আমেরিকায় এটি ছিল একেবারে স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ রীতি।
১৭৯০ সালে 'দ্য জেন্টলম্যানস' ম্যাগাজিন জানায়, এই বিস্কুট ছিল মিষ্টি, ছোটোখাটো, এবং সাধারণত দুটি বিস্কুট একসঙ্গে মোমের কাগজে মোড়ানো থাকত। তার ওপরে দেওয়া হত কালো মোমের সিল। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় আসা প্রতিটি মানুষ পেতেন এই বিস্কুট- কেবল খাওয়ার জন্য নয়, যেন মৃতের স্মৃতিকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার একটি নিদর্শন।
লিংকনশায়ার অঞ্চলে আবার এই বিস্কুট শুধু মানুষদেরই নয়, মৌমাছিদেরও দেওয়া হত! বিশ্বাস ছিল, তারা যেন তাদের প্রিয় মালিকের মৃত্যুর খবর পায়। উত্তর আমেরিকায় এই বিস্কুটে নানা চিহ্ন থাকত- ডানাওয়ালা মাথা, ঘণ্টাঘড়ি বা কখনও খুলি। এগুলো ছিল মৃত্যু আর সময়ের অস্থায়ীত্বের প্রতীক।
উনিশ শতকে, এই বিস্কুট বানানো এক ব্যবসার রূপ নেয়। পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপা হত, 'অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত বিশেষ বিস্কুট।'
১৮৭৭ সালে এক ম্যাগাজিনে লেখা হয়, 'জগৎ থেমে থাকে না। কেউ মারা গেলেও মানুষকে খেতে হয়। আর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বিস্কুট তৈরির নেপথ্যে ভালোই লাভের সুযোগ আছে।'
ভিক্টোরিয়ান যুগে এই বিস্কুটকে অনেকে 'লেডি ফিঙ্গারস' নামেও ডাকত। আমেরিকায় এই বিস্কুট বিকালের চায়ের সঙ্গে খাওয়া হলেও, ইংল্যান্ডে তার মূল পরিচয় ছিল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অংশ হিসেবে।
১৮৯৭ সালের নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে বলেছিল, 'ইংল্যান্ডে লেডি ফিঙ্গারস বলতে বোঝায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বিস্কুট, যেগুলো শোকের পরিবেশে অতিথিদের দেওয়া হয়।'
এমনকি কেউ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যেতে না পারলেও, তাঁকে পাঠানো হত একটি স্মারক কার্ড, স্পঞ্জ কেক, আর লেডি ফিঙ্গার। সব কিছু মোড়া থাকত কালো কাগজে, কালো মোমে সিল করা অবস্থায়।
ওয়েলসেও এই রীতি ছিল খুব পরিচিত। সেখানে এই বিস্কুটকে বলা হত 'আরভেল ব্রেড', বা 'আলে বিস্কুট'। এর রীতি ছিল, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় এই বিস্কুট গ্রহণ করলে, মৃতের পরিবারের প্রতি সহানুভূতির প্রকাশ স্বরূপ প্রত্যেক অতিথিকে এক শিলিং করে দিতে হত।
(বি: দ্র:- প্রতিটি বইয়ের সঙ্গে থাকছে ৫টি পোস্টকার্ড এবং একটি বক্স।)
| নাম | বিস্কুট : বিবর্তন বিশ্বায়ন বাণিজ্য |
|---|---|
| লেখক | মহীন গুপ্ত |
| প্রকাশনী | Boideshik - বইদেশিক |
| ভাষা | Bengali |
| অবস্থা | New |
| মুদ্রণ দেশ | India |
লেখক পরিচিতি
মহীন গুপ্ত
মহীন গুপ্ত-এর আরও বই ঘুরে দেখুন। এই লেখকের লেখা পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।
মহীন গুপ্ত-এর সব বইপ্রকাশনী সম্পর্কে

Boideshik - বইদেশিক
Boideshik - বইদেশিক প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।
Boideshik - বইদেশিক-এর সব বই
