আজকের ছাড় এই বইয়ে — অফার শেষ হতে বাকি০০:০০:০০
কৃষ্ণ থেকে কৃষ্ণকলি : রবীন্দ্রসংগীতে কীর্তনাঙ্গ ধারা-উপধারার সমীকরণ
লেখক: ডাঃ. দেবশ্রী বসু || Dr Debasree Basu
প্রকাশনী: shalidhan
নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।
৳৬১৫৳৭০০-১২%
সাশ্রয় ৳৮৫
সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ
ফ্রি ডেলিভারি
একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি
১০০% আসল বই
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৩ দিনে রিটার্ন
ভারত থেকে আনা
বই - কৃষ্ণ থেকে কৃষ্ণকলি : রবীন্দ্রসংগীতে কীর্তনাঙ্গ ধারা-উপধারার সমীকরণ
লেখিকা - ড. দেবশ্রী বসু
বিভিন্ন গ্রন্থে এবং তথ্যে রবীন্দ্রনাথের গানে কীর্তনের প্রভাবের একাধিপত্যের উল্লেখ আছে। কিন্তু বেহাগ, খা...
বইয়ের ভেতরে এক ঝলক

এক নজরে
এই বইয়ে যা পাবেন
Bengali
ভাষা
New
অবস্থা
India
উৎস
বিবরণ
বইটি সম্পর্কে
বই - কৃষ্ণ থেকে কৃষ্ণকলি : রবীন্দ্রসংগীতে কীর্তনাঙ্গ ধারা-উপধারার সমীকরণ
লেখিকা - ড. দেবশ্রী বসু
বিভিন্ন গ্রন্থে এবং তথ্যে রবীন্দ্রনাথের গানে কীর্তনের প্রভাবের একাধিপত্যের উল্লেখ আছে। কিন্তু বেহাগ, খাম্বাজ, পিলু, ভৈরবী ও কীর্তন---- এই পাঁচটি নাম সমপর্যায়ের নয়। কীর্তন কোনো রাগরূপের সঙ্গে তুলনীয় নয়। কীর্তন একটা musical tradition, একটি সাঙ্গীতিক ধারা, যা নদীর মতো একটি মূল স্রোত থেকে নানা শাখার স্রোতে বিস্তারিত হয়ে গেছে। কীর্তনের অঙ্গ, অংশ, তাল প্রকরণ, অলংকরণ বিভিন্নভাবে রবীন্দ্রনাথের অজস্র গীতরচনাকে প্রভাবিত করেছে। যে গীতরচনার মূল কাঠামোটি কীর্তনের নয়, হয়তো বা শাস্ত্রীয় রাগাশ্রিত। যেমন ‘কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি’ গানের একটি স্তবক, ‘এমনি করে কালো কাজল মেঘ’ হয়তো বা কোনো নির্দিষ্ট রাগরূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু তাঁর পরেই ‘শ্রাবন রজনীতে’ এই অংশ কীর্তনের একটি সুনির্দিষ্ট প্রবণতার মধ্যে মিশে গেল। এই মিশ্রণ এত সূক্ষ্ম, এত স্বাভাবিক, এত সরল, অথচ এত নান্দনিক, যা কোনো মহাপ্রতিভাশালী স্রষ্টা ছাড়া সম্ভব নয়।
কীর্তনের একাত্মতায় কবির কাছে কীর্তনের আবির্ভাবও প্রায় ঈশ্বরের মতন এমন অনিবার্য হয়ে দেখা দেয়। তিনি নিজেই জানেন না গানে সুর দিতে দিতে রাগের প্রয়োগে, সুরের চলনে কখন কীর্তনের সুর এসে যায়, তিনি নিজেই বুঝতে পারেন না। তা অচেনা কুসুমগন্ধের মতো, গোপন আনন্দের মতো তাঁর গানকে আচ্ছন্ন করে তোলে। এমনকী আঘাতে, শোকে, কঠিন বেদনায় তাঁর সুর কীর্তনের সুরে বিগলিত-বিলীন হয়। তাঁর গানে স্তরে স্তরে, স্তবকে স্তবকে, চরণে, পদক্ষেপে এই কীর্তন প্রভাব সুনির্দিষ্টভাবে ঘোষণা করে না ‘আমি গরানহাটি কীর্তন’, কিংবা এই সুরটি ‘ঢপ কীর্তন’-এর সুর। তা এমনই রাবীন্দ্রিক হয়ে দেখা দেয় যে কবি নিজের অজান্তেই যেন কীর্তনীয়া হয়ে যান।
রবীন্দ্রনাথের বিপুল সংগীত সম্ভারে কীর্তনের এই সম্পূর্ণ ও আংশিক প্রভাব নিয়ে আজ পর্যন্ত সেভাবে কোনো বিস্তৃত আলোচনা হয়নি। বিশেষ করে গরানহাটি কীর্তন, ঢপকীর্তন, মনোহরশাহি কীর্তন, বাউলাঙ্গ কীর্তন, পালা কীর্তন, লীলা কীর্তনের বিচিত্র পটভূমিতেই রবীন্দ্রনাথের সংগীতসৃষ্টির পরিমাপ করা উচিত, যা তেমনভাবে হয়নি। কীর্তনের গীতরীতি কয়েক শতাব্দী ব্যাপ্ত করে এত বিচিত্রভাবে বিবর্তিত হয়েছে, সে সম্পর্কে ধারণা না থাকলে রবীন্দ্রনাথের গানে কীর্তনের প্রভাব শনাক্ত করা দুরূহ হয়ে পড়ে।
কীর্তন, কীর্তনের সুর ও স্বর বিন্যাসের ছোট ছোট প্রণালীকে কবি এমন গভীরভাবে আত্মস্থ করেছিলেন যে, তাঁর শত শত গানে, শিরায় শোণিতে জীবন-স্পন্দনে অনুসৃত হয়ে গেছে। এই গ্রন্থে কবির শত শত গান ধরে ধরে কীর্তনের লক্ষণগুলি শনাক্ত, চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গানের মূল কাঠামো ভেঙে, তছনছ করে স্ট্রাকচারাল অ্যানালিসিস বা গঠনগত বিশ্লেষণের দ্বারা কীর্তনকে রবীন্দ্রনাথ কর্তৃক আত্মস্থ করার স্বরলিপি বা সুরলিপি এই গ্রন্থে প্রথম করা হল।
| নাম | কৃষ্ণ থেকে কৃষ্ণকলি : রবীন্দ্রসংগীতে কীর্তনাঙ্গ ধারা-উপধারার সমীকরণ |
|---|---|
| লেখক | ডাঃ. দেবশ্রী বসু |
| প্রকাশনী | শালিধান প্রকাশন |
| ভাষা | Bengali |
| অবস্থা | New |
| মুদ্রণ দেশ | India |
লেখক পরিচিতি
ডাঃ. দেবশ্রী বসু
ডাঃ. দেবশ্রী বসু-এর আরও বই ঘুরে দেখুন। এই লেখকের লেখা পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।
ডাঃ. দেবশ্রী বসু-এর সব বইপ্রকাশনী সম্পর্কে

শালিধান প্রকাশন
শালিধান প্রকাশন প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।
শালিধান প্রকাশন-এর সব বই
