লাভক্র্যাফট অমনিবাস ৩
লেখক: প্রতিম দাস || Pratim Das
প্রকাশনী: Sristi Publication
নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।
সাশ্রয় ৳১৫০
সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ
ফ্রি ডেলিভারি
একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি
শুরুর আগে লাভক্র্যাফট অমনিবাস তৃতীয় খণ্ড, যাতে আছে ১৬ টা আখ্যানের অনুবাদ। ৬২+ লেখা অনুবাদ করা হয়ে গেল এইচ পি লাভক্র্যাফটের। আশা রাখছি আর তিনটে খণ্ডে বাকি সব লেখা প্রকাশ করতে পারা যাবে। দ্বিতীয় খণ্ড...
বইয়ের ভেতরে এক ঝলক

এক নজরে
এই বইয়ে যা পাবেন
বিবরণ
বইটি সম্পর্কে
শুরুর আগে লাভক্র্যাফট অমনিবাস তৃতীয় খণ্ড, যাতে আছে ১৬ টা আখ্যানের অনুবাদ। ৬২+ লেখা অনুবাদ করা হয়ে গেল এইচ পি লাভক্র্যাফটের। আশা রাখছি আর তিনটে খণ্ডে বাকি সব লেখা প্রকাশ করতে পারা যাবে। দ্বিতীয় খণ্ড আপনারা নিজেদের সংগ্রহের অংশ করে নিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তা না হলে এই খণ্ড পেশ করার সাহসটাই পেতাম না। বা হয়তো সৃষ্টি পাবলিকেশন আমাকে আবার একটা সুযোগ দিতেন না তাদের সঙ্গে কাজ করার। যাইহোক কথা বাড়াব না। আগেরবারের মতোই গল্পগুলো বিষয়ে কিছু তথ্য জানিয়ে রাখলাম। দি অ্যাসেজ ১৯২৪ সালের মার্চ মাসে সি এম এডি জুনিয়রের সঙ্গে লেখা এই গল্প ‘উইয়ার্ড টেলস’ এ প্রকাশিত হয়। এ গল্পের এক বিশেষত্ব এর ‘হ্যাপি এন্ডিং’ যা সচরাচর লেখকের কাহিনিতে দেখা যায় না। এস টি জোসির মতানুসারে এটা লাভক্র্যাফটের জঘন্যতম লেখা। দ্য ক্রলিং ক্যাওস ১৯২১ সালের এপ্রিল মাসে ‘ইউনাইটেড কোঅপারেটিভ’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয় এই লেখা। সহ লেখিকা উইনিফ্রেড ভি জ্যাকসন। যদিও গোটা কাহিনিই লাভক্র্যাফট লিখেছিলেন, শুধুমাত্র এ কাহিনি যে স্বপ্নর ভিত্তিতে লেখা হয় তা দেখেছিলেন উইনিফ্রেড। দ্য মিউজিক অফ এরিক জ্যান লাভক্র্যাফটের লেখা কাহিনিগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা বলা হয়ে থাকে এই কাহিনিটাকে। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে এই কাহিনি লেখা হয়। প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের মার্চ মাসে ‘ন্যাশনাল অ্যামেচার’ ম্যাগাজিনে। দ্য আদার গডস ১৪ই আগষ্ট ১৯২১ তারিখে এ গল্প লিখেছিলেন লেখক। ১৯৩৩ সালে ‘দ্য ফ্যান্টাসি ফ্যান’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। এ কাহিনি লেখকের চিরন্তন স্বপ্ন জগতের ভিত্তি স্থাপনের সূত্র পেশ করে। একই সঙ্গে বেশ কিছু গল্পের চরিত্র বা স্থান এখানে উল্লেখিত হয়। অবশ্য লেখকের একাধিক লেখাতেই এভাবে অন্য লেখার সুত্র খুঁজে পাওয়া যায়। দ্য আউটসাইডার ১৯২১ এর মার্চ থেকে আগস্ট এই সময়কালে এ গল্প লেখা হয়। ‘উইয়ার্ড টেলস’ এতে প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে। যা অই পত্রিকায় প্রকাশিত অন্যতম জনপ্রিয় কাহিনি রূপে বিবেচিত হয়। লেখকের নিজস্ব মতানুসারে এই কাহিনিতে উনি তার ‘আইডল’ এডগার অ্যালান পো এর লিখনশৈলীকে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় অনুসরণ করতে পেরেছেন। ন্যাথানিয়েল হথর্নের লেখা ‘ফ্র্যাগমেন্টস ফ্রম দ্য জার্নি অফ আ সলিটারি ম্যান’ দ্বারা এ গল্প অতিমাত্রায় অনুপ্রাণিত। দ্য ব্যাটল দ্যাট এন্ডেড দ্যা সেঞ্চুরি এ এক অদ্ভুত মজাদার আখ্যান। যা বাস্তবিকপক্ষে লেখা হয়েছিল ‘লাভক্র্যাফট সার্কেল’ নাম গ্রুপের সদস্যদের ব্যক্তিগত স্তরে পাঠ করার জন্য। ওই গ্রুপ সদস্যদের আচার আচরণ এবং কাজ কর্মের ভিত্তিতে তাদের একটা করে নাম দেন লাভক্র্যাফট। সেই নামধারী চরিত্রদের নিয়েই এ লেখা। সহযোগিতা করেছিলেন আর এইচ বার্লো। নেমলেস সিটি অ্যামেচার প্রেস জার্নাল ‘দি উল্ভারিন’ এতে ১৯২১ এর জানুয়ারিতে লেখা এই কাহিনি প্রকাশিত হয় ওই বছরের নভেম্বর মাসে। থুলু মিথোসের সুচনা এই কাহিনি থেকেই হয় বলা যায় । লর্ড ডানসানির এক্তা লেখা পড়ার পরে দেখা স্বপ্ন ভিত্তিতে লেখা লেখকের নিজের খুব প্রিয় এই কাহিনি একাধিক ম্যাগাজিন প্রত্যাখান করেছিল। হারবার্ট ওয়েস্ট – রি-অ্যানিমেটর ১৯২১ এর অক্টোবর থেকে ১৯২২ এর জুন মাসের মধ্যবর্তী সময়কালে এ লেখা রচিত হয়। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি-জুলাই মাসে ‘হোম ব্রিউ’ ম্যাগাজিনে। এই কাহিনিতেই প্রথম মিস্কাটোনিক ইউনিভারসিটির নাম জানা যায়। ১৯৮৫ সালে এ গল্পের ভিত্তিতে সিনেমা বানানো হয়েছিল। লেখকের চিঠি অনুসারে এ কাহিনি ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’ এর প্যারোডি’। দ্য হরর অ্যাট মার্টিন্স বীচ এ কাহিনি লেখা হয় ১৯২২ সালের জুন মাসে। ১৯২৩ সালের নভেম্বরে ‘দ্য ইনভিজিবল মন্সটার নামে ‘উইয়ার্ড টেলস’ এ প্রকাশিত হয় সোনিয়া গ্রীনের নামে। এ কাহিনির আলাদা আলাদা ছটা সংস্করণ পাওয়া যায়। লাভক্র্যাফটই যে এর ‘গোস্ট রাইটার’ ছিলেন সেটা পরে জানা যায়। দ্য হাউন্ড ‘উইয়ার্ড টেলস’ এতে ১৯২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই লেখা প্রকাশিত হয়। যা লাভক্র্যাফট লিখেছিলেন ১৯২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এটাই প্রথম কাহিনি যেখানে অতি চর্চিত এক শব্দ ‘নেক্রোনোমিকন’ এর প্রথম উল্লেখ হয়। লেখকের নিজের ভাবনা অনুসারে এ কাহিনি মোটেই পছন্দের মানে পৌঁছাতে পারেনি। দ্য চ্যালেঞ্জ ফ্রম বিয়ন্ড ফ্যান্টাসি ম্যাগাজিনের এডিটর জুলিয়াস সোয়ার্জ এর চাহিদায় ১৯৩৫ সালে দুটো যৌথ গল্প লেখার আয়োজন করা হয়। যার একটা এই গল্পটা। লিখেছিলেন সি এল মুর, এ মেরিট, এইচ পি লাভক্র্যাফট, রবার্ট ই হাওয়ার্ড এবং ফ্রাঙ্ক বেলন্যাপ লং। প্রকাশিত হয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসে। কুল এয়ার ১৯২৬ সালের মার্চ মাসে লেখা কাহিনি ১৯২৮ সালের ‘দ্য টেলস অফ ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি’ তে প্রকাশিত হয়। এ কাহিনিতে তার বন্ধু বান্ধব এবং তাদের থাকার জায়গা অনুপ্রেরণা রূপে কাজ করেছিল। এমনকি গল্পের নায়কের মতোই লেখক নিজেও ঠান্ডা বাস্তবেই একদম পছন্দ করতেন না। পো ছাড়াও ম্যাকেনের লেখা গল্পও এ কাহিনিকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল বলে গবেষকদের মত। ইন দ্য ভল্ট ১৮ই সেপ্টেম্বর ১৯২৫, এ গল্প লিখেছিলেন লেখক। প্রকাশিত হয় নভেম্বরে অ্যামেচার প্রেস জার্নাল ‘ট্রাইআউট’ এতে। ওই পত্রিকার সম্পাদকের কাছ থেকে এই গল্পের ভাবনা পেয়েছিলেন। যে কারণে তাকে কৃতজ্ঞতাও জানান গল্পের শুরুতে। ‘উইয়ার্ড টেলস’ থেকে এ গল্প প্রত্যাখাত হয়। যুক্তি ছিল এ গল্পের বীভৎসতা সেন্সরশিপের বেড়া টপকাতে পারবে না। যদিও ১৯৩২ এর এপ্রিল মাসে সেটা প্রকাশ হয়েছিল। দ্য ফেস্টিভ্যাল ১৯২৩ এর অক্টোবরে এ গল্প লেখা হয়। ‘উইয়ার্ড টেলস’ এতে প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৫ সালের জানুয়ারিতে। ১৯২২ সালে ম্যাসাচুসেটস এ প্রথম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা এ কাহিনিতে ছায়া ফেলেছিল। মার্গারেট মারের লেখা ‘দ্য উইচ কাল্ট ইন ওয়েস্টার্ন ইউরোপ’ পুস্তকও এ কাহিনি লিখতে তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। দ্য ডায়েরি অফ অ্যালেঞ্জো টাইপার ১৯৩৮ সালে ‘উইয়ার্ড টেলস’ এ প্রকাশিত হয় এ কাহিনি। এটা উইলিয়াম লামলির লেখা কাহিনির লাভক্র্যাফট দ্বারা পরিমার্জিত রূপ। যা লামলি ১৯৩৫ সালে জমা দিয়েছিলেন। এরজন্য লাভক্র্যাফট কোনও পারিশ্রমিক নেননি। দি আননেমেবল ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এ কাহিনি লিখেছিলেন লেখক। ১৯২৫ এর জুলাই মাসে ‘উইয়ার্ড টেলস’ এতে প্রকাশিত হয়েছিল। সালেমের চার্টার স্ট্রিট হিস্টোনিক কবরখানার প্রেক্ষাপটকে এ কাহিনির পটভুমির অনুপ্রেরণা রূপে ব্যবহার করেছিলেন লাভক্র্যাফট। অ্যাট দ্য মাউন্টেইন্স অফ ম্যাডনেস ১৯৩১ সালে ফেব্রয়ারী-মার্চ মাসে এই লেখার জন্ম হয়। যা সে সময় ‘উইয়ার্ড টেলস’ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয় এর আকারের জন্য। চল্লিশ হাজারের বেশি শব্দ। এখনকার সময়ের দিক থেকে দেখলে একটা উপন্যাস। ১৯৩৫ সালের ফেব্রুয়ারী থেকে এপ্রিল অবধি ধারাবাহিকভাবে সেই লেখা প্রকাশিত হয় ‘অ্যাস্টাউন্ডিং স্টোরিজ’ ম্যাগাজিনে। অ্যান্টার্ক্টিকা সম্পর্কে লেখকের আলাদাই একটা আগ্রহ ছিল। ১৯৩০ সাল অবধি হওয়া অভিযানের খবর রাখতেন তা বোঝাই যায় এ লেখা থেকে। একই সঙ্গে এ লেখায় তার অন্যতম প্রিয় লেখক এডগার অ্যালান পোকেও শ্রদ্ধাঞ্জলী দিয়েছেন। তার জীবদ্দশায় এ কাহিনি জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি। * * * তাহলে শুরু করে দিন পড়া। আগের দুটো খণ্ড যেভাবে আপনারা নিজেদের সংগ্রহে রেখেছেন, আশা রাখছি এটাকেও সেই ভালোবাসাই দেবেন। ধন্যবাদ অনির্বাণ ব্যানার্জী দাদাকে আমার উপর ভরসা রেখে তৃতীয় খণ্ডটাও আপনাদের দরবারে আনার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ, সেইসব মানুষকে যাদের সহযোগিতা ছাড়া এ লেখা বইয়ের রূপ নিত না। সবাই ভালো থাকুন, বইয়ের সঙ্গে থাকুন।
| নাম | লাভক্র্যাফট অমনিবাস ৩ |
|---|---|
| লেখক | প্রতিম দাস |
| প্রকাশনী | সৃষ্টি পাবলিকেশন |
| ভাষা | Bengali |
| অবস্থা | New |
| মুদ্রণ দেশ | India |
লেখক পরিচিতি
প্রতিম দাস-এর আরও বই ঘুরে দেখুন। এই লেখকের লেখা পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।
প্রতিম দাস-এর সব বইপ্রকাশনী সম্পর্কে

সৃষ্টি পাবলিকেশন প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।
সৃষ্টি পাবলিকেশন-এর সব বই
