লুকাশিয়া — অনিন্দিতা নাথ

মূল বিষয়বস্তুতে যান
একই বিক্রেতার ৳২৯৯০ এর উপরে অর্ডারে ডেলিভারি ফ্রি · সারা বাংলাদেশে
IndoBangla
আজকের ছাড় এই বইয়ে — অফার শেষ হতে বাকি০০:০০:০০
লুকাশিয়া
ভেতরে দেখুন
পছন্দের তালিকায় রাখুন

লুকাশিয়া

লেখক: অনিন্দিতা নাথ || Anindita Nath
প্রকাশনী: Ebarat Prakashani

নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।

৳৪৪০৳৫০০-১২%

সাশ্রয় ৳৬০

সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ

ফ্রি ডেলিভারি

একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি

১০০% আসল বই
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৩ দিনে রিটার্ন
ভারত থেকে আনা
প্রচ্ছদ : মিশন মণ্ডল অলংকরণ : প্রণব হাজরা ‘রুদ্র নিলয়ের খেরোর খাতা’ জীবন কত অদ্ভুত রহস্যে ঘেরা! এই লেখকের লেখা কত বার পড়েছে। কিন্তু কলমের পিছনের মানুষটার সঙ্গে যে কোনও দিন আলাপ হবে, তা কল্পনাও করতে পা...

বইয়ের ভেতরে এক ঝলক

বইয়ের ভেতরের পাতা ১
পাতা ১ / ১সোয়াইপ করে পাতা উল্টান

এক নজরে

এই বইয়ে যা পাবেন

Bengali
ভাষা
New
অবস্থা
India
উৎস

বিবরণ

বইটি সম্পর্কে

প্রচ্ছদ : মিশন মণ্ডল অলংকরণ : প্রণব হাজরা ‘রুদ্র নিলয়ের খেরোর খাতা’ জীবন কত অদ্ভুত রহস্যে ঘেরা! এই লেখকের লেখা কত বার পড়েছে। কিন্তু কলমের পিছনের মানুষটার সঙ্গে যে কোনও দিন আলাপ হবে, তা কল্পনাও করতে পারেনি আবীর। প্রথম পৃষ্ঠা ওলটাতেই একটা ভূমিকা চোখে পড়ল। ‘জীবনে এমন অনেক সময় আসে, যখন মনে হয়— জীবন ওখানেই শেষ হয়ে যাক। আর বেঁচে থেকে কোনও লাভ নেই। কাছের মানুষগুলোর চেহারা হঠাৎ করেই কোনও জাদু মন্ত্রবলে কেমন যেন বদলে যায়। অচেনা হয়ে যায় সব কিছু। তখন মনে হয়— এই রাত যেন আর ভোরের মুখ না দেখে। কিন্তু রাত শেষ হয়ে ভোর আসে ঠিকই। সেখান থেকেই শুরু হয় ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই, বেঁচে থাকার লড়াই। এই বইয়ে যে ঘটনাকে তোমাদের সামনে পরিবেশন করতে চলেছি, তা এই বেঁচে থাকার লড়াইয়েরই দুটো অংশ। ভালো থাকবে, ভালো রাখবে।’ ভূমিকা শেষ করে প্রথম পৃষ্ঠা ওলটায় আবীর। গল্পের শিরোনাম— ‘মৃত্যুর সন্তান’। তারাভরা আকাশের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিল মেরি। হঠাৎ একটা তীব্র আর্তনাদে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। টেন্টের ভিতর থেকে ছোট্ট সাদা পা’দুটো দেখা যাচ্ছে। পরম নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে রয়েছে মারিস্কা। একটা হালকা আলো জ্বলছে টেন্টের মধ্যে। মৃদু হাওয়ায় আলোটা মাঝে মাঝে কাঁপছে। মারিস্কার ছায়াটা দোল খায় টেন্টের দেওয়ালে। গোলাপি ঠোঁট বেয়ে দুধের কয়েক ফোঁটা গড়িয়ে পড়ছে। ব্যাগ থেকে একটা কাপড় বের করে মেয়ের মুখ মুছিয়ে দিলো মেরি। চোখদুটো অল্প ফাঁক করে মেরিকে দেখে আবার নিশ্চিন্তে ঘুমের দেশে তলিয়ে যায় মেয়েটা। মারিস্কার কপালে একটা চুমু খেয়ে তার পাশেই শুয়ে পড়ে মেরি। গত এক বছরের মধ্যে ওদের জীবন কত পালটে গেছে! মনের সাগরে অতীত স্মৃতির নৌকো ভাসিয়ে চোখ বন্ধ করে ও। গত বছর জুনের মাঝামাঝি সময়ে অফিসের একটা ক্লান্ত দুপুরে ইমেলের ইনবক্সে একটা মেসেজ ঢুকেছিল। এক ফার্মা কোম্পানি—কাজের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গ্রামে লোক নিয়োগ করবে। ইচ্ছুক প্রার্থীরা সত্বর যোগাযোগ করুন। মাইনের অঙ্কটা এখানকার অফিসের প্রায় দ্বিগুণ। হাতের সামনে রাখা মুঠোফোনটা তুলে স্কটকে খবর দিতে গিয়ে মেরি অবাক হয়েছিল। এই একই মেল স্কটও পেয়েছে! দ্বিতীয় বার ভাবেনি ওরা। জীবনটাকে আরেক বার নতুন করে সাজিয়ে-গুছিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দু’ চোখে মেখে দু’জন চলে এসেছিল ‘পোলসি’ গ্রামে। *** স্কট তখন জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখতে রাখতে বলল, “কী এমন আছে জঙ্গলে যে, কেউ তোমরা ঢুকতে পারো না?” রান্নাঘর থেকে মিকোলের ঠাকুমার ফ্যাঁস ফ্যাঁসে কণ্ঠ ভেসে এলো, “শিংওয়ালা বড় রাক্ষস। মানুষের মাংস খেয়ে, মানুষের রূপ ধরে আমাদের মধ্যেই ঘুরে বেড়াবে আর ভুলিয়ে টেনে নিয়ে যাবে জঙ্গলের মধ্যে। যখন আর কোনও মানুষ ওখানে পৌঁছবে না, তখন সেই রাক্ষস নিজের খোলস ছেড়ে নতুন রূপে মানুষের মধ্যে আসবে। ভুলিয়ে টেনে নিয়ে যাবে ওর পছন্দের মানুষকে; ওই জঙ্গলের মধ্যে। তার পর শুরু হবে সেই মারণখেলা। বহু বছর ধরে এই কথা আমরা শুনে আসছি আমাদের পূর্বপুরুষের কাছ থেকে। আজকালকার ছেলেরা কেউ বিশ্বাস করে না, তাই এই পরিণতি।” *** কতক্ষণ ঘুমিয়েছে মেরি জানে না। হঠাৎ চোখ খুলে চারদিকে তাকিয়ে দেখে, ও পৌঁছে গেছে জঙ্গলের ভিতরে। উঁচু ঢিবির মতো একটা জায়গার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে ও। চারদিক দিয়ে অদ্ভুত দর্শন সব প্রাণীরা ঢিবিটাকে ঘিরে রয়েছে। একটা শিংওয়ালা খুব উঁচু প্রাণী সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঢিবির উপর। আকাশ চিরে বিদ্যুৎ চমকে ওঠে। ক্ষণিকের সেই আলোয় প্রাণীটার সুচালো দাঁত ঝিলিক দিয়ে উঠল। নিয়ন আলোর মতো সবজেটে একটা আলো প্রাণীটির সারা শরীর ঘিরে রয়েছে। হঠাৎ করেই সেই প্রাণীটি উঠে দাঁড়াল। মেঘ কেটে গেছে। মেঘের ঘোমটার আড়াল থেকে বেরিয়ে চাঁদের আলো এখন জঙ্গলের ওই জায়গাটাকে আলোকিত করে তুলেছে। দুধের মতো সাদা জ্যোৎস্নায় মেরি দেখল, প্রাণীটির শরীর একটা মানুষের, কিন্তু তার মুখাবয়ব কিছুতেই ওর চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠছে না। হঠাৎ প্রাণীটি বিকট গর্জন করে ওঠে। আশপাশের বাকি জন্তুগুলো ভয়ে পালিয়ে যায়। একটা উৎকট বন্য গন্ধ পরিবেশটাকে ভীষণ ভারী করে তুলেছে। মেরি অনুভব করে, ওর শরীর থেকে দরদরিয়ে ঘাম ঝরে পা বেয়ে নীচের দিকে নামছে। এত তাড়াতাড়ি সব ঘটতে থাকে যে, ওর গলা দিয়ে ভয়ে একটা ‘আঁক’ শব্দ বেরোয়। আর তার ফলেই প্রাণীটির চোখ এবার ঘুরে যায় ওর দিকে। বিপদ বুঝতে পেরে মেরি কটেজের দিকে দৌড়তে শুরু করল। ঝড়ের গতিতে ওর দিকেই এগিয়ে আসছে প্রাণীটা। জঙ্গল যেন শেষই হতে চায় না!
নামলুকাশিয়া
লেখকঅনিন্দিতা নাথ
প্রকাশনীএবারত প্রকাশনী
ভাষাBengali
অবস্থাNew
মুদ্রণ দেশIndia

লেখক পরিচিতি

অনিন্দিতা নাথ

অনিন্দিতা নাথ-এর আরও বই ঘুরে দেখুন। এই লেখকের লেখা পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।

অনিন্দিতা নাথ-এর সব বই

প্রকাশনী সম্পর্কে

এবারত প্রকাশনী
এবারত প্রকাশনী

এবারত প্রকাশনী প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।

এবারত প্রকাশনী-এর সব বই

এখন স্টকে নেই

স্টকে এলে সবার আগে খবর পান

রেটিং ও রিভিউ — লুকাশিয়া

0

0 রেটিং

5
0
4
0
3
0
2
0
1
0

Loading

Loading