আজকের ছাড় এই বইয়ে — অফার শেষ হতে বাকি০০:০০:০০

পছন্দের তালিকায় রাখুন
অরিত্র সোমের কবিতা
লেখক: অরিত্র কিছু || Aritra Some
প্রকাশনী: Mastul Publication
নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।
৳৬৫৫৳৭৫০-১৩%
সাশ্রয় ৳৯৫
সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ
ফ্রি ডেলিভারি
একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি
১০০% আসল বই
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৩ দিনে রিটার্ন
ভারত থেকে আনা
সম্পাদনা - তন্ময় ভট্টাচার্য ও আকাশ গঙ্গোপাধ্যায় প্রচ্ছদ - আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়
‘ - তন্ময়দা, একটা কথা বলব?
- বল...
- আমার শুরু থেকেই স্বপ্ন, ইচ্ছে—মাস্তুল থেকে একটা কবিতার বই হবে। আকাশদা প্রচ্ছদ করবে।
- আ...
এক নজরে
এই বইয়ে যা পাবেন
Bengali
ভাষা
New
অবস্থা
India
উৎস
বিবরণ
বইটি সম্পর্কে
সম্পাদনা - তন্ময় ভট্টাচার্য ও আকাশ গঙ্গোপাধ্যায় প্রচ্ছদ - আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়
‘ - তন্ময়দা, একটা কথা বলব?
- বল...
- আমার শুরু থেকেই স্বপ্ন, ইচ্ছে—মাস্তুল থেকে একটা কবিতার বই হবে। আকাশদা প্রচ্ছদ করবে।
- আকাশ জানে?
- না।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাস। হোয়াটসঅ্যাপে একটা ইচ্ছের কথা জানিয়েছিল অরিত্র সোম। মাস্তুল থেকে ওর বই হওয়ার ইচ্ছে। আকাশকে বলেওছিলাম সে-কথা। সামনের বছর অর্থাৎ ২০২৪-এর বইমেলায় বইটি প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল আমাদের। অরিত্রকে জানাইনি, কেন-না পরের বইমেলার তখনো বহু দেরি।
সেই বই হল। মাস্তুল থেকেই। প্রচ্ছদও করল ওর ‘আকাশদা’-ই। শুধু, সময় এগিয়ে এল খানিক। অরিত্র জানতে পারল না ওর ইচ্ছেপূরণের কথা। আর, একটি নির্দিষ্ট কবিতার বই বদলে গেল ‘যাবতীয়’ কবিতার সংকলনে। এমন বই আমরা চাইনি...
অরিত্র চলে গেল, আমাদের কাঁধে দিয়ে গেল পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতির ভার। এমনটা বলে যায়নি, কিন্তু জানি—ও অবাক হত না এই খবরে। পাণ্ডুলিপি গোছানোর সময় যে মনোবেদনার মধ্যে দিয়ে যেতে হল, তাও কি দিতে চেয়েছিল আমাদের? একক বই হলে, প্রাথমিক পাণ্ডুলিপি তৈরি করত অরিত্রই। এক্ষেত্রে সে-সুযোগ ছিল না। ভুল-ত্রুটি সহ, সব দায়িত্ব নিতে হল আমাদেরই।
২০১৬ সালের কোনো এক সন্ধ্যায়, বেলঘরিয়ার এক পুকুরপাড়ে অরিত্র-র সঙ্গে প্রথম আলাপ আমার। কথায়-কথায় জানতে পারি—আমারই স্কুলের তিন বছরের জুনিয়র সে। সেই পুকুরসন্ধ্যায় ডায়েরি খুলে শুনিয়েছিল বেশ-কয়েকটা কবিতা। তখনো তার কবিতায় তীক্ষ্ণতা আসেনি, আসেনি সংযম। বয়সোচিত আবেগের দুর্বল বহিঃপ্রকাশ হয়েই থেকে গিয়েছিল। দিনে-দিনে বৈচিত্র্যময় কবিতাপাঠ, সমকালীন ও অগ্রজ কবিদের সঙ্গে আদানপ্রদান ওর লেখাকে পরিশীলিত করে তোলে। ২০১৮ থেকে ২০২৩-এর মৃত্যু-পূর্ববর্তী কাল কবি হিসেবে অরিত্র-র মূল সময়। বিস্মিত হয়ে দেখেছি, একদিন পুকুরপাড়ে ওর যে কবিতা পড়েছিলাম, তা থেকে শত যোজন দূরে সরে এসে কীভাবে নিজস্ব কবিতাভাষা তৈরির পথে এগোচ্ছে সে। কবিতাভাষা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে, নিজেকে খুঁড়ছে, ভাঙছে—অস্তিত্বের গুঁড়ো মাখিয়ে দিচ্ছে কবিতার সর্বাঙ্গে। অরিত্র জানত, বৃহত্তর সমাজে তার মূল পরিচয়—সে কবিতাপ্রয়াসী। সে-জন্য কবিতাকেই জীবনের প্রাণভোমরা করে নিয়েছিল সে। এমনকী, মৃত্যুর আগে পর্যন্ত কবিতাই ছিল তার অন্যতম চিৎকার ও চেষ্টা।
আবার, কবিতা নিয়ে অভিমানও বড়ো কম ছিল না। কেন তার কবিতা যথেষ্ট আলোচিত হচ্ছে না, কেন কবি হিসেবে উপযুক্ত পরিচিতি পাচ্ছে না সে—এ-নিয়ে বিভিন্নজনের কাছে হতাশাও প্রকাশ করেছে একাধিকবার। মাঝেমাঝে মনে হয়, ওর চলে যাওয়ার পিছনে অজস্র কারণের একটা কবিতা-সংক্রান্ত অভিমানও। ওর কবিতা যদি নিয়মিত আলোচনায় থাকত, তজ্জনিত আত্মবিশ্বাস ওকে বেঁচে থাকার রসদ জোগাত অনেকটা। এই অভিমান যুক্তিযুক্ত কিনা, প্রযুক্তি-নিয়ন্ত্রিত সমাজে ক্রমশ একা-হতে-থাকা ছেলেটির শেষতম আশা ছিল কিনা এই স্বীকৃতিবাসনা—তা ভিন্ন তর্ক। তবে অরিত্র-র বিগত ছয়-সাত বছরের জীবনে বাংলা কবিতা কী তীব্র উপস্থিতি নিয়ে হাজির ছিল, তা আমরা জানি। খেয়াল করেছি, যতদিন কর্মহীন ছিল, ওর কবিতার ভাষা ও চলন একরকম। কর্মজীবন শুরুর (২০১৯) পর থেকেই ধীরে ধীরে অস্বস্তি ও অস্থিরতা গ্রাস করেছে তাকে। অরিত্র ভাবত, চাকরির জন্য কবিতাকে উপযুক্ত সময় দিতে পারছে না, ফলে কবিতাও মনমতো হচ্ছে না। উপার্জন-দায় ও কবিতা লেখার এই দ্বন্দ্বও কম ভোগায়নি। আর-পাঁচজন প্রকৃত কবির মতো ‘ভালো লিখতে না-পারা’-র অতৃপ্তি ফোঁপরা করছিল ভেতরে-ভেতরে। এর বাইরেও লেখা যেত অনেক কথাই। কিন্তু একজন কবি সম্পর্কে আলোচনা ‘কবিতার ব্যক্তি’-র মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাই শ্রেয়। এই গণ্ডিটুকু ভেঙে যাক, আমরা চাই না।
অরিত্র-র কবিতায় উঁকি দিলে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এক আচ্ছন্ন জগতের হদিশ পাই। অভিমান, অসহায়তা, হতাশা, বিষণ্ণতা, আক্রমণ সবই ধরা দিয়েছে কবিতার অবয়বে। বিভিন্ন মোটিফের ধারাবাহিক ব্যবহার ওর কবিতাকে ব্যঞ্জনাবাহী করেছে, সীমাবদ্ধও। কখনো আবার কবিতা লিখে ছিন্নভিন্ন করতে চেয়েছে কবিতাকেই। আলোর রেখা একেবারেই নেই বললে অন্যায় হবে; প্রথমদিকের কবিতাগুলিতে সেই বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্য রয়েছে মাঝেমধ্যেই। তবে একটা নির্দিষ্ট সময় পর, একমুখী হয়েছে লেখা। সেইসঙ্গে আরেকটা কথা না-বললেই নয়—অরিত্র সোমের মৃত্যুচেতনা। বিগত পাঁচ-ছয় বছর ধরে, ওর কবিতায় বিভিন্নভাবে ফিরে-ফিরে এসেছে মৃত্যুচিন্তা, জীবনে ইতি টানার ইচ্ছে। আশা হারিয়ে ফেলা এক কবির ভাষ্য হয়ে উঠেছে সেসব। অরিত্র-র কবিতার মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে ‘ডার্ক’ শব্দটি যথাযথ—এর উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ মনে পড়ছে না। কী প্রবল অস্থিরতা ও ঘূর্ণাবর্ত কাজ করত ওর মনের মধ্যে, কবিতাগুলি একসঙ্গে পড়তে-পড়তে স্পষ্ট হচ্ছে আরও। এই ‘ডার্ক’ চিন্তাভাবনা ও আত্মধ্বংসী ভাষাভঙ্গিই আলাদা করে তুলেছে অরিত্রকে। সমসাময়িক কবিদের মধ্যে, খুব কমজনের লেখাতেই এই অন্ধকার দিকগুলো ধারাবাহিকভাবে ফুটে উঠতে দেখা গিয়েছে। পাঠের পর যে দমবন্ধ ভাব জাগে, অরিত্র কবিতাকে হাত
| নাম | অরিত্র সোমের কবিতা |
|---|---|
| লেখক | অরিত্র কিছু |
| প্রকাশনী | মাস্তুল || Mastul |
| ভাষা | Bengali |
| অবস্থা | New |
| মুদ্রণ দেশ | India |
লেখক পরিচিতি
অরিত্র কিছু
অরিত্র কিছু-এর আরও বই ঘুরে দেখুন। এই লেখকের লেখা পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।
অরিত্র কিছু-এর সব বইপ্রকাশনী সম্পর্কে

মাস্তুল || Mastul
মাস্তুল || Mastul প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।
মাস্তুল || Mastul-এর সব বই