শ্রী সুভাষচন্দ্র বসু সমগ্র রচনাবলী ৯ — সুভাষচন্দ্র বসু

মূল বিষয়বস্তুতে যান
একই বিক্রেতার ৳২৯৯০ এর উপরে অর্ডারে ডেলিভারি ফ্রি · সারা বাংলাদেশে
IndoBangla
আজকের ছাড় এই বইয়ে — অফার শেষ হতে বাকি০০:০০:০০
শ্রী সুভাষচন্দ্র বসু সমগ্র রচনাবলী ৯
পছন্দের তালিকায় রাখুন

শ্রী সুভাষচন্দ্র বসু সমগ্র রচনাবলী ৯

লেখক: সুভাষচন্দ্র বসু || সুভাষচন্দ্র বসু
প্রকাশনী: Ananda || আনন্দ

নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।

৳৮৭৫৳১,০০০-১৩%

সাশ্রয় ৳১২৫

সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ

ফ্রি ডেলিভারি

একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি

১০০% আসল বই
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৩ দিনে রিটার্ন
ভারত থেকে আনা
ভারতবিপ্লবের প্রধান হোতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। শুধু আদর্শ নেতা বা বাগ্মী নন, তিনি ছিলেন দার্শনিক, চিন্তানায়ক ও শক্তিশালী লেখক। জীবনের বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন অবস্থায়, বিভিন্ন দেশে বসে বিভিন্ন বিষয়...

এক নজরে

এই বইয়ে যা পাবেন

২৩৮
পৃষ্ঠা
Bengali
ভাষা
Hardback
বাঁধাই
সংস্করণ
New
অবস্থা
India
উৎস

বিবরণ

বইটি সম্পর্কে

ভারতবিপ্লবের প্রধান হোতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। শুধু আদর্শ নেতা বা বাগ্মী নন, তিনি ছিলেন দার্শনিক, চিন্তানায়ক ও শক্তিশালী লেখক। জীবনের বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন অবস্থায়, বিভিন্ন দেশে বসে বিভিন্ন বিষয়ের উপর তাঁর অসংখ্য রচনা ও বাণী এমনভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে, যা একত্র করে সমগ্র রচনাবলীর আকারে প্রকাশ করা দুরূহ, গবেষণাসাপেক্ষ ও পরিশ্রমসাধ্য কর্ম। নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর প্রত্যক্ষ সহায়তায় সেই কাজেই ব্রতী হয়েছে আনন্দ পাবলিশার্স। ফলে, শুধু যে সুসংবদ্ধভাবে খণ্ডে-খণ্ডে এই রচনাসমগ্র প্রকাশ করাই সম্ভবপর হচ্ছে তা নয়, নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর নিজস্ব সংগ্রহশালা থেকে সংযোজিত করা গেছে বহু দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য দলিল। বহু তথ্য, চিঠি, লেখা, ভাষণ, প্রতিলিপি, ছবি ও বিবৃতি যা অন্য কোথাও প্রকাশিত হয়নি, ভবিষ্যতেও হবার সম্ভাবনা নেই। এর আগে প্রকাশিত হয়েছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সমগ্র রচনাবলীর আটটি খণ্ড। প্রথম খণ্ডে রয়েছে নেতাজির অনন্য আত্মজীবনী ‘ভারত পথিক’, দু’শো আটটি চিঠি, তরুণ সম্প্রদায়ের উদ্দেশে রচিত প্রবন্ধাবলী এবং বংশধারার পরিচয়। দ্বিতীয় খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে নেতাজির প্রামাণ্য গ্রন্থ ‘ভারতের মুক্তি সংগ্রাম’, পরিমার্জিত এবং অখণ্ড। সংকলিত হয়েছে এ-গ্রন্থ সম্পর্কে সমকালীন যাবতীয় মতামত এবং পরিশিষ্টে সংযোজিত হয়েছে একটি সাক্ষাৎকারের বিবরণ, যেখানে ফ্যাসিবাদ ও কমিউনিজম সম্বন্ধে এ-গ্রন্থে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করেছিলেন সুভাষচন্দ্র। তৃতীয় খণ্ডে রয়েছে ১৯২৩ থেকে ১৯৩২ সালের মধ্যে সুভাষচন্দ্রের নিজের লেখা ও তাঁকে লেখা প্রায় দু’শোটি পত্র, ‘গোড়ার কথা’ ও ‘নতুনের সন্ধানে’ শীর্ষক ভাষণমালা। চতুর্থ খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বর্মায় বন্দিজীবনে লেখা দুটি বড় ইংরেজি নিবন্ধের বাংলা তর্জমা। এ দুটিতে সুভাষচন্দ্রের অধ্যয়নের পরিধি ও গভীরতা, বস্ত্রশিল্পের ইতিহাস ও বিদেশি বস্ত্র বয়কটের তাৎপর্য বিধৃত। এ ছাড়া সংকলিত জনজীবন ও সমাজের নানাদিক নিয়ে ব্যক্ত সুভাষচন্দ্রের বহু বিবৃতি ও ভাষণমালা, ‘মন্ত্ৰবিচার’ শীর্ষক একটি রচনা ও কিছু পত্র। পঞ্চম খণ্ডে সংকলিত হয়েছে ১৯২৯ থেকে ১৯৩৩-এর কালসীমায় প্রদত্ত ও রচিত সুভাষচন্দ্রের একশোটিরও বেশি বক্তৃতা ও রচনা। এই সময়ে তিনি দেশের অনন্য ও উদীয়মান এক জননেতা, ভারতের রাজনীতিতে বামপন্থার প্রধান প্রবক্তা হিসেবে স্বীকৃত। কলকাতার মেয়র রূপে তাঁর ভাষণ ও বঙ্গবাসীর উদ্দেশে সুভাষচন্দ্রের আবেগমথিত বিদায়বাণী। ষষ্ঠ খণ্ডে সংকলিত হয়েছে সুভাষচন্দ্র ও এমিলি শেঙ্কলের একশো আশিটি পত্র এবং পরিশিষ্টে আছে শরৎচন্দ্রকে লেখা সুভাষের এবং এমিলিকে লেখা শরৎচন্দ্রের চিঠি। সপ্তম খণ্ডে রয়েছে সুভাষচন্দ্র বোসের একটি বিশেষ সময়ের চিঠিপত্র, বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ। ১৯৩৭-এর নভেম্বরে সুভাষচন্দ্র যখন কলকাতা থেকে কে এল এম বিমানে ইউরোপ যাত্রা করলেন, তখন তাঁর নাম কংগ্রেস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচনার্থে প্রস্তাবিত। ১৯৩৭-এ কর্মজীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে সুভাষচন্দ্রকে ইউরোপ নির্বাসনে বাধ্য করা হয়। সপ্তম খণ্ডের চিঠিপত্র, বক্তৃতা ও প্রবন্ধগুলি সেই সময়ের। পূর্বে অপ্রকাশিত দু’শোরও বেশি চিঠিপত্রের সঙ্গে এই খণ্ডে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রবন্ধ আছে। যেমন, ‘সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী সংগ্রাম ও সাম্যবাদ’, ‘ইউরোপ আজ ও আগামীকাল’, ‘দূর প্রাচ্যে জাপানের ভূমিকা’ এবং ‘মন্ত্রিত্ব গ্রহণের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি’। ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চপর্যায়ে অবস্থান করছিলেন। যদিও, শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের দক্ষিণপন্থী সদস্যবৃন্দ এবং গান্ধীর প্রবল বিরুদ্ধতার মুখে তিনি পদত্যাগপত্র দাখিল করেন। অষ্টম খণ্ডে, জানুয়ারি ১৯৩৮ থেকে এপ্রিল ১৯৩৯, অর্থাৎ তাঁর পদত্যাগের অব্যবহিত পর পর্যন্ত তাঁর লিখিত এবং প্রাপ্ত চিঠিপত্র এবং প্রবন্ধ, নিবন্ধ, বক্তৃতা সংকলিত করা হয়েছে। তাঁর বিখ্যাত হরিপুরা ভাষণ এবং মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু প্রমুখের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পত্রালাপ এর অন্তর্ভুক্ত। ১৯৩৯-এর এপ্রিলে কংগ্রেস সভাপতিত্ব থেকে সুভাষচন্দ্রের পদত্যাগ এবং ১৬-১৭ জানুয়ারি ১৯৪১-এর মধ্যরাতে তাঁর এলগিন রোডের বাড়ি থেকে নিষ্ক্রমণ— এই দুই মহাঘটনার মধ্যবর্তী সময়ে সুভাষচন্দ্র ভারতকে বিকল্প নেতৃত্বের পথে নিয়ে গিয়েছিলেন। গান্ধীবাদী প্রবীণ শীর্ষ নেতৃত্বের পরিবর্তে তাঁর অন্যতর নেতৃত্বের ভিত্তি ছিল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং ভবিষ্যতে সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা। আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন এবং নেতাজি অভিধায় পরিচিত হওয়ার পূর্বেকার এই সময়টি সুভাষচন্দ্রের রাজনৈতিক জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবম খণ্ডে রয়েছে এই পর্বে লিখিত প্রবন্ধ, বিবৃতি, চিঠি-পত্র, এবং সম্পাদকীয় নিবন্ধ। তৎকালীন বঙ্গসরকারকে লিখিত ‘আমার রাজনৈতিক বিবৃতি’ এবং সুভাষচন্দ্রকে লেখা জয়প্রকাশ নারায়ণের গোপন পত্র, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে বামপন্থীদের ভূমিকা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিপক্ষীয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলির সংঘর্ষ, হিন্দু-মুসলমান ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা এবং ফরওয়ার্ড ব্লকের উদ্দেশ্য ইত্যাদি এই সংকলনের বিষয়। রচনাগুলি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্কে আগ্রহী পাঠককে সমৃদ্ধ করবে।
নামশ্রী সুভাষচন্দ্র বসু সমগ্র রচনাবলী ৯
লেখকসুভাষচন্দ্র বসু
প্রকাশনীAnanda || আনন্দ
ভাষাBengali
বাঁধাইHardback
পৃষ্ঠা২৩৮
সংস্করণ1
অবস্থাNew
ISBN-139789350401613
মুদ্রণ দেশIndia
ওজন479.0
মাপ161 × 246 × 17.99

লেখক পরিচিতি

সুভাষচন্দ্র বসু

সুভাষচন্দ্র বসু-এর আরও বই ঘুরে দেখুন। এই লেখকের লেখা পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।

সুভাষচন্দ্র বসু-এর সব বই

প্রকাশনী সম্পর্কে

Ananda || আনন্দ
Ananda || আনন্দ

Ananda || আনন্দ প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।

Ananda || আনন্দ-এর সব বই

এখন স্টকে নেই

স্টকে এলে সবার আগে খবর পান

রেটিং ও রিভিউ — শ্রী সুভাষচন্দ্র বসু সমগ্র রচনাবলী ৯

0

0 রেটিং

5
0
4
0
3
0
2
0
1
0

Loading

Loading