তবুও কি সত্যি ?

মূল বিষয়বস্তুতে যান
একই বিক্রেতার ৳২৯৯০ এর উপরে অর্ডারে ডেলিভারি ফ্রি · সারা বাংলাদেশে
IndoBangla
আজকের ছাড় এই বইয়ে — অফার শেষ হতে বাকি০০:০০:০০
তবুও কি সত্যি ?
ভেতরে দেখুন
পছন্দের তালিকায় রাখুন

তবুও কি সত্যি ?

প্রকাশনী: shalidhan

নতুন এসেছে — প্রথম পাঠকদের একজন হোন।

৳৬১৫৳৭০০-১২%

সাশ্রয় ৳৮৫

সব কর অন্তর্ভুক্ত · ১০০% আসল ভারতীয় সংস্করণ

ফ্রি ডেলিভারি

একই বিক্রেতার ৳২,৯৯০+ বই নিলে সারাদেশে ফ্রি

১০০% আসল বই
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৩ দিনে রিটার্ন
ভারত থেকে আনা
বই - তবুও কি সত্যি ? লেখক - সুকন্যা, দেবলীনা, বর্ণালী মেক্সিকোর দ্য আইল্যান্ড অফ দ্য ডলস্ জায়গাটার সম্পর্কে লোকে অনেক কথা বলে। স্থানটি স্বাভাবিক নয়। বড় বড় গাছ এমন ভাবে দ্বীপটিতে বেড়ে উঠেছে যে শ্যাওলা ...

বইয়ের ভেতরে এক ঝলক

বইয়ের ভেতরের পাতা ১
পাতা ১ / ১সোয়াইপ করে পাতা উল্টান

এক নজরে

এই বইয়ে যা পাবেন

Bengali
ভাষা
New
অবস্থা
India
উৎস

বিবরণ

বইটি সম্পর্কে

বই - তবুও কি সত্যি ? লেখক - সুকন্যা, দেবলীনা, বর্ণালী মেক্সিকোর দ্য আইল্যান্ড অফ দ্য ডলস্ জায়গাটার সম্পর্কে লোকে অনেক কথা বলে। স্থানটি স্বাভাবিক নয়। বড় বড় গাছ এমন ভাবে দ্বীপটিতে বেড়ে উঠেছে যে শ্যাওলা ধরা মাটির বুকে দিনের আলোও পৌঁছতে পারে না। স্যাঁতস্যাঁতে সেই স্থানে বিভিন্ন পশু-পাখি আর পোকামাকড়ের বাস হলেও, মানুষ থাকে না। মাকড়সার জাল এবং পোকামাকড়ে পূর্ণ স্থানটি দিনের বেলাতেও যেতে ভয় লাগবে। আর সব থেকে অদ্ভুত ব্যাপার হল যে এই সব গাছের ডাল থেকে ঝুলে থাকে একাধিক জীর্ণ রঙচটা পুতুল। চুল উঠে যাওয়া বা হাত ভাঙা পুতুল, চোখ উঠে যাওয়া আর ছেঁড়া জামা পরা, পা-হীন পুতুল। অসংখ্য এমন দুর্দশাগ্রস্ত পুতুল সার বেঁধে ঝুলন্ত অবস্থায় জায়গাটির চেহারা কেমন যেন ভয়াবহ করে তুলেছে। এই জন্যই এই স্থান ডলস্ আইল্যান্ড নামে পরিচিত। কিংবদন্তি অনুযায়ী বছর পঞ্চাশ আগে এই ১৯৫০-এর দশকে পুতুলগুলি এলোমেলোভাবে দ্বীপে উপস্থিত হতে শুরু করে ডন জুলিয়ান সান্তানা বারেরার হাত ধরে। সান্তানা থাকতেন পাশের একটি দ্বীপে, যেখানে তিনি তাঁর সবজি বিক্রি করার পর একা দিশি মদ খেতে যেতেন। শোনা যায়, একদিন একটি মেয়ে খালের জলে ফুটে থাকা লিলির জটলার মধ্যে জড়িয়ে ডুবে মারা যায়। এবং তার মৃতদেহ ভেসে আসে এই দ্বীপটির তীরে, যার আসল নাম লা লর্না। মৃতদেহটিকে জলে ভেসে আসতে দেখতে পান সান্তানা যিনি দাবি করেছেন যে মেয়েটির মৃতদেহ নাকি বার বার চিৎকার করে তাকে বলে “আমি আমার পুতুল চাই।” তার কিছুদিন পর ওই দ্বীপেরই একটা খালের মধ্যে সান্তানা খুঁজে পায় একটা পুতুল। আতঙ্কিত হয়ে সেই পুতুলটিকে তিনি ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন গাছের ডালে। সান্তানা বলেছিলেন এই ঘটনার পর থেকে এই দ্বীপে প্রায়শই তিনি খুঁজে পেতেন একটা না একটা জীর্ণ পুতুল। সান্তানা প্রতিটা পুতুলকে এক এক করে ঝুলিয়ে দিতে থাকে ওই দ্বীপের গাছের ডালে। সেই থেকে এই দ্বীপের নামের সঙ্গে, অবস্থার সঙ্গে কিংবদন্তি জড়িয়ে একটা ভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি করে রেখেছে। অবাক হয়ে শুনেছিলাম এই অদ্ভুত কাহিনি। অলৌকিক অস্তিত্বের উপর বিশ্বাস অবিশ্বাস কোনোটিই ছিল না আমার। আজও তাই। মেরিয়নের কাছে এই কাহিনি রূপকথার মতো শুনতে লেগেছিল আমার। মনে হয়েছিল এ এক অপ্রকৃতিস্থ লোকের বিকার। মেরিয়নের গলায় প্রচ্ছন্ন একটা ভীতির আভাস পেয়েছিলাম। তাই হালকা করার জন্য তাকে বলেছিলাম কলকাতার পুতুলবাড়ির গল্প। নিজের কথা বলার ফাঁকে সে মন দিয়ে শুনেছিল আমার গল্প। মনে আছে ওর নীল চোখে প্রশ্ন মেখে জানতে চেয়েছিল, “তুমি গেছ নাকি? কিছু ফীল করেছ? আচ্ছা, বাড়িটার এমন নাম কেন?” বুঝেছিলাম মেরিয়নের এসব ব্যাপারে আগ্রহ অনেক। একটু হেসে বলেছিলাম, “একটা একটা করে বলি শোনো। আমার মামাবাড়ি কুমারটুলিতে। ওই এলাকাতেই আছে এই পুতুলবাড়ি। শুনেছি কলকাতায় একসময় যখন ‘বাবু’দের প্রতিপত্তি খুব ছিল, সেই আমলে এই বাড়ি ছিল আমদানি-রপ্তানিকৃত মালের গুদাম, মানে ওয়েরহাউস। এই বিশাল বাড়ির উপরে একটা পুতুলের মূর্তি আছে তাই এর নাম পুতুলবাড়ি। বাবু সম্প্রদায়ের উচ্ছৃঙ্খলতার প্রভাবেও কলুষিত হয়েছিল এক সময়। অনেকে বলে মেয়েলি কণ্ঠে কান্না শোনা যায়। গা ভারী লাগে। কিন্তু ওসব কিছু না। “মানে?” প্রশ্ন করেছিল মেরিয়ন। হেসে বলেছিলাম, “মানে ওসব কিছু নেই। আমার মামা বলেছেন, উনি গিয়ে থেকেও এসেছেন।” মেরিয়ন একটু গম্ভীর হয়ে বলেছিল, “মানে তুমি বিশ্বাস করো না, তাই তো?” হেসে বলেছিলাম, “অবিশ্বাসও করি না।” মেরিয়ন বলেছিল, “বিশ্বাস-অবিশ্বাসের বাইরে গিয়ে যখন কারো জীবনে প্রভাব পড়ে, তখন তার কী নাম হয় অমিত?” উত্তর দিতে পারিনি। বলেছিলাম, “তোমার কথাটা বলো শুনি।” মেরিয়নের কপালে তখনও মেঘ। কিন্তু পরে বুঝেছিলাম ব্যাপারটা অত সহজ নয়। ডলস্ আইল্যান্ডের কাহিনি বলে মেরিয়ন আবার ফিরেছিল তার পরিবারের গল্পে। তার ঠাকুরদা শেষ পর্যন্ত গিয়েছিলেন ওই দ্বীপে। মেরিয়নের বাবা খুবই যুক্তিবাদী মানুষ। তিনি বাকি সকলের ভয় ও ভাবনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। বৃদ্ধ তাঁর আঁকার সরঞ্জামের ঝুলি নিয়ে চলে যান সেই কুখ্যাত দ্বীপে। দিন কাটতে থাকে। সপ্তাহ যায়। বৃদ্ধের কোনো খবর আসে না। শেষে বাড়ির সবাই মেরিয়নের বাবার উপর ক্ষুব্ধ হন। তিনি জোর না করলে হয়তো এই দিন আসত না। এদিকে পরিবারের এই দুশ্চিন্তার কালে এক মুঠো ফুলের সুগন্ধের মতো মেরিয়নের জন্ম। বাবা আদর করে এমন পুতুলের মতো ছোট্ট মেয়ের নাম রাখেন মেরিয়নেট। সেই থেকেই মেরিয়ন। মাস খানেক যেতেই বাবা আর থাকতে পারেননি। মানসিক চাপ তো একটা ছিলই তাঁর। তিনি বেরিয়ে পড়েন নিজের বাবার সন্ধানে। বাবা ফিরে এসেছিলেন দিন দশেক পর। না, ঠাকুরদা আর ফেরেননি। আমার চোখের সামনে এক অচেনা জগতের দরজা যেন খুলে যাচ্ছিল। মনে আছে উদগ্রীব হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম, “তারপর? তোমার ঠাকুরদার কোনো খোঁজ পাওনি আর?” মাথা নেড়েছিল মেরিয়ন। বলেছিল যে, তার বাবা অনেক চেষ্টা করেই ফিরেছিলেন। ঠাকুরদার মৃতদেহ আর পাওয়া যায়নি কিন্তু তাঁর আঁকার সরঞ্জামের কিছু ছড়িয়ে
নামতবুও কি সত্যি ?
প্রকাশনীশালিধান প্রকাশন
ভাষাBengali
অবস্থাNew
মুদ্রণ দেশIndia

প্রকাশনী সম্পর্কে

শালিধান প্রকাশন
শালিধান প্রকাশন

শালিধান প্রকাশন প্রকাশনীর প্রকাশিত বই — মানসম্মত ছাপা, নির্ভরযোগ্য সংস্করণ। এই প্রকাশনীর আরও বই দেখুন।

শালিধান প্রকাশন-এর সব বই

এখন স্টকে নেই

স্টকে এলে সবার আগে খবর পান

রেটিং ও রিভিউ — তবুও কি সত্যি ?

0

0 রেটিং

5
0
4
0
3
0
2
0
1
0

Loading

Loading